বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

বরিশাল বিভাগের ১৫টি স্থানে নদ- নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করছে।

বরিশাল বিভাগের ১৫টি স্থানে নদ- নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করছে।

বরিশাল বিভাগের ১৫টি স্থানে নদ- নদীর

পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করছে।
চতুর্থ দিনের মতো কীর্তনখোলা নদীর জোয়ারের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে বরিশাল নগরীর অভ ̈ন্তরে প্রবেশ করেছে। ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা ঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েন সংশ্লিস্ট এলাকার বাসিন্দারা।
কীর্তনখোলার পানি বিপদসীমা অতিμম করে নগরীর নি¤œাঞ্চলে প্রবেশ করে। এতে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর, রসুলপুর, ভাটিখানা, আমানতগঞ্জ, সদর রোড, প ̈ারারা রোড, আগরপুর রোড সহ বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার সড়ক, বাড়িঘর, ব ̈বসা প্রতিষ্ঠানে কোথাও হাটু পানি আবার কোথাও গিরা পানিতে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।
পানি উন্নয়ন বোর্ড দক্ষিনাঞ্চল জোনের প্রধান প্রকৌশলী মো. হারুন-অর রশিদ জানান, বরিশাল বিভাগের ১২৫টি নদ-নদীর মধে ̈ বেশীরভাগ নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিμম করেছে। বিভাগের ১৫টি নদীর ১৭টি পয়েন্টে পানি পানির উ”চতা পরিমাপ করে উন্নয়ন বোর্ড। এর মধে ̈ ১৫টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার উপরে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ ̈ানুসারে, গত ২০ বছরের মধে ̈ কীর্তনখোলা নদীর পানি গত বৃহ ̄úতিবার সর্বো”চ লেভেল অতিμম করে। ওইদিন কীর্তনখোলা নদীর পানির উ”চতা ছিলো ৩.৭ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ বিপৎসীমার ৫২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে কীর্তনখোলার নদীর পানি প্রবাহিত হয়েছে।
শুধু নগরী নয়, বিভিন্ন নদ-নদীর জোয়ারের পানিতে বিি ̄র্Íর্ন এলাকা তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার ঘরবাড়ি, রা ̄Íাঘাট, ব ̈বসা প্রতিষ্ঠান, ফসলী জমি, পানের বরজ ক্ষতিগ্র ̄’ হয়েছে। ভেসে গেছে বহু ঘেরের মাছ। পানির কারনে নদী তীরবর্তী এলাকায় মানুষ বিপাকে পড়েছেন। তবে জোয়ারের পানিতে সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এখন পর্যন্ত নিরুপন করেনি ̄’ানীয় প্রশাসন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © বরিশাল টিভি ২০১৭
Design By MrHostBD